Menu
  • Home
  • USA
  • Hotel
  • Visa
  • About Us
  • Contact Us
  • Disclaimer
  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
Home
দাম
আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর ২০২৬: হালনাগাদ তথ্য ও ক্রয় সচেতনতা
দাম

আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর ২০২৬: হালনাগাদ তথ্য ও ক্রয় সচেতনতা

admin April 29, 2026

প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ডিমের জুড়ি নেই। বাড়ি থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, হোটেল—সব জায়গায় ডিমের ব্যবহার প্রতিদিন। কিন্তু বাজারে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর আসলে কত। পাইকারি দর জানা থাকলে যেমন খুচরা বিক্রেতার প্রতারণা এড়ানো যায়, তেমনি খামারি ও ব্যবসায়ীরাও সঠিক মূল্যে লেনদেন করতে পারেন। এই আর্টিকেলে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহের তথ্য অনুযায়ী আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর, জেলা ও ডিমের ধরনভিত্তিক মূল্য এবং বাজার বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে।

আরও জেনে নিনঃ গাজী সাবমারসিবল পাম্প দাম 

বর্তমানে আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর কত?

বাংলাদেশের পাইকারি বাজারগুলোতে ডিমের দাম সাধারণত ডজন হিসেবে নির্ধারিত হয়। বর্তমানে খামার পর্যায়ে ডিমের পাইকারি দর ডজনপ্রতি ১২২-১২৮ টাকা। তবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা যখন এটি খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করেন, তখন দাম কিছুটা বাড়ে। নিচের টেবিলটি দেখলে আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে।

ডিমের ধরণ পাইকারি বাজারদর (প্রতি ডজন) খুচরা বাজারদর (প্রতি ডজন) মন্তব্য
লাল ডিম (দেশীয় প্রজাতি) ১৩০-১৩৮ টাকা ১৪৫-১৫০ টাকা চাহিদা বেশি, দাম তুলনামূলক বেশি
সাদা ডিম (হাইব্রিড) ১২৫-১৩২ টাকা ১৪০-১৪৫ টাকা উৎপাদন বেশি, দাম একটু কম
খামার পর্যায়ের দাম (মূল্য) ১২২-১২৮ টাকা – খামারি পাইকারি বিক্রেতাকে সরবরাহ করেন

আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, লাল ডিমের দাম সাদা ডিমের চেয়ে ৫-৭ টাকা বেশি। উৎপাদন খরচ ও চাহিদার তারতম্য এই পার্থক্যের মূল কারণ।

জেলা অনুযায়ী পাইকারি ডিমের দামের পার্থক্য

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ডিমের পাইকারি দাম এক রকম নয়। উৎপাদন কেন্দ্র থেকে দূরত্ব, পরিবহন ব্যয় ও স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে দামে হেরফের হয়। নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও শহরের আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর দেওয়া হলো।

  • ঢাকা (কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও পাইকারি মার্কেট): লাল ডিম ১৩৫-১৩৮ টাকা, সাদা ডিম ১২৮-১৩২ টাকা
  • চট্টগ্রাম (পাহাড়তলী বাজার): লাল ডিম ১৩২-১৩৫ টাকা, সাদা ডিম ১২৫-১২৮ টাকা
  • রাজশাহী ও খুলনা: লাল ডিম ১২৮-১৩২ টাকা, সাদা ডিম ১২২-১২৫ টাকা
  • সিলেট ও বরিশাল: লাল ডিম ১৩০-১৩৪ টাকা, সাদা ডিম ১২৫-১২৭ টাকা
  • ময়মনসিংহ ও রংপুর: লাল ডিম ১২৬-১৩০ টাকা, সাদা ডিম ১২০-১২৩ টাকা

ঢাকায় আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর সবচেয়ে বেশি, কারণ এটি একটি বিশাল ভোগ্যপণ্যের বাজার ও পরিবহন ব্যয় বেশি। অন্যদিকে, উৎপাদন এলাকা কাছাকাছি হওয়ায় রংপুর ও ময়মনসিংহে দাম তুলনামূলক কম।

পাইকারি ও খুচরা বাজারের মূল্য পার্থক্য কেন হয়?

অনেকে জানতে চান, খামার থেকে ডিম যখন বের হয় তখন দাম কম থাকে, কিন্তু খুচরা বাজারে কেন বেশি? পাইকারি ও খুচরা দরের এই ব্যবধানের পেছনে কয়েকটি বাস্তব কারণ আছে।

  • পরিবহন খরচ: খামার থেকে পাইকারি বাজার, তারপর সেখান থেকে খুচরা দোকানে পৌঁছাতে ডজনপ্রতি ৫-৮ টাকা খরচ হয়।
  • ভাঙন ও নষ্ট হওয়া: ডিম ভঙ্গুর পণ্য। শতকরা ২-৩% ডিম পরিবহনে নষ্ট হয়। সেই টাকা পুনরুদ্ধার করতে দাম বাড়ে।
  • মজুতকরণ ও স্টোরেজ: পাইকারি ব্যবসায়ীরা কোল্ড স্টোরেজ বা গুদামে ডিম রাখেন। এর খরচও যুক্ত হয়।
  • মধ্যস্বত্বভোগীর মুনাফা: খামারি থেকে গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছাতে কমপক্ষে দুই থেকে তিন স্তরের ব্যবসায়ী থাকেন। প্রত্যেকেই নিজের লাভ যোগ করেন।

আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর যদি ১৩০ টাকা হয়, তবে খুচরা বাজারে ১৪৫-১৫০ টাকায় বিক্রি হওয়াটাই স্বাভাবিক। এর চেয়ে বেশি দাম চাইলে সতর্ক থাকতে হবে।

সাদা ও লাল ডিম– কোনটি কিনবেন আর দামের পার্থক্য কেন?

বাজারে দুই ধরনের ডিম বেশি দেখা যায়—সাদা ডিম ও লাল ডিম। লাল ডিমের দাম সাধারণত বেশি। কারণ লাল ডিমের মুরগি সাধারণত দেশীয় প্রজাতির হয় এবং এদের ডিম পাড়ার হার তুলনামূলক কম। অন্যদিকে সাদা ডিম উৎপাদনকারী হাইব্রিড মুরগি বেশি ডিম পাড়ে, ফলে সরবরাহ বেশি। পুষ্টিগুণে দুটির মধ্যে তেমন পার্থক্য নেই। তবে বাজার ও ক্রেতাদের চাহিদার কারণে আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দরে লাল ডিমের দাম ৫-৮ টাকা বেশি থাকে।

ডিমের বাজারে অস্থিরতার কারণ ও বর্তমান স্থিতিশীলতার পেছনের গল্প

সাম্প্রতিক সময়ে ডিমের বাজারে বেশ অস্থিরতা দেখা গিয়েছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে পাইকারি দর ১৪৫-১৫০ টাকা এবং খুচরা দর ১৬০-১৭০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছিল। সরকার পরে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়।

  • ডিম আমদানি শুল্ক ২৫% থেকে কমিয়ে ৫% করা হয়।
  • ভারত থেকে প্রায় ৪.৫ কোটির বেশি ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
  • খামারিদের জন্য ভর্তুকি ও কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হয়।
  • বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয় এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ফলে মার্চের শেষ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর ১২০-১৩৮ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল হয়েছে। দেশে দৈনিক ডিম উৎপাদন বর্তমানে প্রায় ৩.৫ থেকে ৪ কোটিতে পৌঁছেছে, যা বাংলাদেশের প্রায় সব মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।

ডিম পাইকারি কেনা ও খুচরা ক্রয়ের ক্ষেত্রে করণীয়

আপনি যদি পাইকারি ব্যবসায়ী হন বা বাড়ির জন্য পাইকারি দরে ডিম কিনতে চান, তাহলে আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর জেনে নেওয়ার পর নিচের টিপসগুলো ফলো করুন।

  • সরাসরি খামার থেকে কিনলে দাম তুলনামূলক কম (১২২-১২৮ টাকা/ডজন)। তবে ন্যূনতম পরিমাণ ৫০০-১০০০ ডজন হয়।
  • পাইকারি বাজার থেকে ১০-২০ ডজন কিনলেও দাম ১-২ টাকা কম পাওয়া যায়। তবে দরদাম করে নেবেন।
  • ডিম কেনার সময় পচা বা ফাটা ডিম চিহ্নিত করে নিন। ডিম পানিতে ডুবিয়ে পরীক্ষা করা যায় (পানিতে ভাসলে পুরনো)।
  • খুচরা ক্রেতারা ১৪৫-১৫০ টাকার বেশি দামে ডিম না কেনাই ভালো। বর্তমান পাইকারি দর অনুযায়ী এটি যথাযথ।

ডিমের বাজারদরের সাপ্তাহিক ও মাসিক ট্রেন্ড

নিচের টেবিলটি গত কয়েক সপ্তাহের ডিমের পাইকারি বাজারদরের ধারা দেখাচ্ছে। এটি খামারি ও ব্যবসায়ীদের সঠিক সময়ে পণ্য বিক্রি করতে সহায়তা করবে।

ডিমের ধরণ পাইকারি বাজারদর (প্রতি ডজন) খুচরা বাজারদর (প্রতি ডজন) মন্তব্য
লাল ডিম (দেশীয় প্রজাতি) ১৩০-১৩৮ টাকা ১৪৫-১৫০ টাকা চাহিদা বেশি, দাম তুলনামূলক বেশি
সাদা ডিম (হাইব্রিড) ১২৫-১৩২ টাকা ১৪০-১৪৫ টাকা উৎপাদন বেশি, দাম একটু কম
খামার পর্যায়ের দাম (মূল্য) ১২২-১২৮ টাকা – খামারি পাইকারি বিক্রেতাকে সরবরাহ করেন

টেবিল থেকে দেখা যায়, গত দেড় মাসে ডিমের দাম ধারাবাহিকভাবে কমেছে। বর্তমান পর্যায়ে দাম স্থিতিশিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী জুন পর্যন্ত এ দাম থাকতে পারে।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন ১: আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর কত?
উত্তর: লাল ডিম ১৩০-১৩৮ টাকা ডজন এবং সাদা ডিম ১২৫-১৩২ টাকা ডজন।

প্রশ্ন ২: পাইকারি বাজার ও খুচরা দরের পার্থক্য কতটুকু হওয়া স্বাভাবিক?
উত্তর: পাইকারি দর থেকে খুচরা দর সাধারণত ১০-১৫ টাকা বেশি হয়।

প্রশ্ন ৩: লাল ও সাদা ডিমের দাম কেন ভিন্ন হয়?
উত্তর: লাল ডিমের উৎপাদন খরচ ও চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম বেশি থাকে। পুষ্টিগুণে প্রায় সমান।

প্রশ্ন ৪: ডিমের দামে ওঠানামা কেন হয়?
উত্তর: উৎপাদন খরচ, আমদানি পরিস্থিতি, মৌসুমি চাহিদা, পণ্য পরিবহন ব্যয় ও বাজার মনিটরিংয়ের ওপর নির্ভর করে।

প্রশ্ন ৫: এখন ডিম কেনার সঠিক সময় কি?
উত্তর: বর্তমানে বাজার স্থিতিশীল। তাই চাহিদা থাকলে কেনা যেতে পারে। আগামী মাসগুলোতে দাম বাড়ার সম্ভাবনা কম।

প্রশ্ন ৬: কোথায় সবচেয়ে কম দামে ডিম পাব?
উত্তর: প্রাথমিকভাবে খামার বা কোল্ড স্টোরেজ থেকে কিনলে সবচেয়ে কম দামে পাওয়া যায়। ছোট পরিমাণের জন্য পাইকারি বাজারে কিনলে খুচরার চেয়ে সস্তা পড়ে।

শেষ কথা

সপ্তাহে অন্তত একবার আজকের ডিমের পাইকারি বাজার দর জেনে নেওয়া অভ্যাস করলে আপনি প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। বর্তমানে ভারত থেকে ডিম আমদানি ও সরকারি মনিটরিংয়ের ফলে বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সাধারণ ক্রেতারা ১৪৫-১৫০ টাকার বেশি দামে ডিম কিনবেন না। ব্যবসায়ীরা খামার পর্যায়ের দর ও পাইকারি বাজার পর্যবেক্ষণ করে পণ্য ক্রয় করলে লাভজনক হবে। কেবল দাম দেখে না কিনে ডিমের মান, তাজা অবস্থা ও সরবরাহকারীর বিশ্বস্ততা যাচাই করাও জরুরি।

Share
Tweet
Email
Prev Article
Next Article

Related Articles

সয়াবিন তেলের দাম কত টাকা ২০২৬। বর্তমান বাজার মূল্য
রান্নার জন্য সয়াবিন তেল একটি অপরিহার্য উপাদান হয়ে উঠেছে। তেলের …

সয়াবিন তেলের দাম কত টাকা ২০২৬। বর্তমান বাজার মূল্য

এসিআই ওয়াটার পাম্প দাম ২০২৬। মডেল, ক্ষমতা
বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে কৃষি জমি ও শিল্পকারখানা—সবখানেই নির্ভরযোগ্য পানির …

এসিআই ওয়াটার পাম্প দাম ২০২৬। মডেল, ক্ষমতা

About The Author

admin

Leave a Reply Cancel Reply

Copyright © 2026
Theme by MyThemeShop.com

Ad Blocker Detected

Our website is made possible by displaying online advertisements to our visitors. Please consider supporting us by disabling your ad blocker.

Refresh

Watch the ad to continue.