ফুটবল শুধু একটা খেলা নয়, অনুভূতি, আবেগ আর জাতীয় অহংকারের একটি অসাধারণ বাহন। আর এই আবেগের সেরা জায়গাটা দখল করে আছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। যেকোনো মানুষকে জিজ্ঞেস করলেই বলবে, “ব্রাজিল মানেই ফুটবল আর ফুটবল মানেই ব্রাজিল।” সত্যি বলতে, হলুদ-সবুজ জার্সিটা যখন মাঠে নামে, সমর্থকদের শুধু একটা প্রত্যাশা থাকে – জয়, আরেকটু ভালোবেসে বললে – সেটা যেন হয় শিল্পের মতো। এই আর্টিকেলে আমরা ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর অর্জনের কথা বলব। ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা ম্যাচের সময় যে উত্তেজনায় বুক কেঁপে ওঠে, সেটা শুধুই ক্রীড়াপ্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়; এটা যেন দুই দেশের সংস্কৃতির লড়াই।
সূচনা ও ইতিহাস প্রারম্ভিক ইতিহাস
অনেকেই জানেন না, ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের প্রথম আন্তর্জাতিক যাত্রাটা শুরু হয়েছিল ১৯১৪ সালে, আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেসে। সেদিন তারা হেরেছিল ৩-০ গোলে। কিন্তু শুরুতে হেরে যাওয়াটা তাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি। এই ব্যাপারটা অনেকেই জানেন না, ব্রাজিলের প্রথম দিকের ফুটবলটা আসলে সংগঠিত ছিল না। ইংল্যান্ডের এক্সেটর সিটির বিপক্ষে তাদের একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার ইতিহাসও আছে, যেটাকে অনেকেই ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ মনে করেন। সেবার জিতেছিল ব্রাজিল ২-০ গোলে। কিন্তু ভবিষ্যতের সেই বিশাল গৌরবের জন্য শুরুটা ছিল পথচলার মতো। পেশাদারিত্বের অভাব আর অপরিণত কাঠামোর কারণে ব্রাজিলকে অনেক বাধা পেরোতে হয়েছে।
তবে একটা সময় এল যখন ব্রাজিল নিজেদের একটা জায়গা করে নিতে শুরু করলো। ১৯৫৪ সালের সুইজারল্যান্ড বিশ্বকাপে তারা পূর্ণ শক্তিতে দেখা দেয়। নিলতন সান্তোস, দালমা সান্তোস, দিদি – এদের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড় নিয়ে ব্রাজিল দল গড়েছিল। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে হাঙ্গেরির কাছে ৪-২ গোলে হেরে সেই আশা ভঙ্গ হয়। সেই ম্যাচ ‘বার্নের যুদ্ধ’ নামে কুখ্যাত হয়ে আছে, কারণ খেলাটা ছিল অত্যন্ত কদর্যপূর্ণ ও হিংস্র।
স্বর্ণযুগ এবং পেলে (১৯৫৮–১৯৭০)
এই সময়টাকেই ব্রাজিলের স্বর্ণযুগ বলা চলে। ১৯৫৮ সালে সুইডেন বিশ্বকাপে ব্রাজিল কোচ ভিসেন্তে ফিওলা কিছু কঠিন নিয়ম চালু করেছিলেন। খেলোয়াড়দের চল্লিশটা কাজ না করার তালিকা দেওয়া হয়েছিল! সেখানে ছিল – মাথায় হ্যাট পরা যাবে না, জার্সি পরে ধূমপান করা যাবে না, সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা যাবে না। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, ব্রাজিলের নিজস্ব একজন মনোবিজ্ঞানী ছিল, যিনি ১৯৫০ সালের ফাইনালের ভয়ংকর স্মৃতি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতেন। আরও ছিলেন একজন দন্তচিকিৎসক! কারণ তৎকালীন অনেক খেলোয়াড়ের দাঁতের সমস্যা ছিল, যার সংক্রমণ তাদের খেলায় প্রভাব ফেলত। এই পরিকল্পিত প্রস্তুতি আর পেলে, গ্যারিঞ্চার মতো জাদুকরদের হাত ধরে ব্রাজিল প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জেতার স্বাদ পায় ১৯৫৮ সালে। তারপর ১৯৬২ আর ১৯৭০ – পেলের নেতৃত্বে আরও দুটি বিশ্বকাপ, যেন সেই পেলের জাদুতে পুরো বিশ্ব মুগ্ধ।
ধারাবাহিক সাফল্য (১৯৯৪–২০০২)
১৯৯৪ বিশ্বকাপ
১৯৭০ সালের পর ব্রাজিলের জন্য একটা দীর্ঘ খরা শুরু হয়। প্রায় ২৪ বছর কোনো বিশ্বকাপ জিততে পারেনি, এমনকি ফাইনালেও উঠতে পারেনি। একটু ভেবে দেখলে অবাক লাগে, যে দল ফুটবলের প্রতিশব্দ, তারা এতদিন অপেক্ষায় ছিল। তবে ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে সেই খরা ঘোচায় ব্রাজিল। এই দলটাতে ছিলেন রোমারিও, বেবেতো, দুঙ্গা, তাফারেল – সবাই আক্রমণভাগের দানব। ফাইনালে ইতালির সাথে ০-০ ড্র হয়ে টাইব্রেকারে গড়ায়। যখন রবার্তো বাজ্জোর পেনাল্টি ক্রসবারের উপর দিয়ে চলে গেল, তখন ব্রাজিল চতুর্থবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো। সেই দিনটা ব্রাজিলের সমর্থকদের জন্য ছিল যেন স্বপ্ন পূরণ।
১৯৯৮ বিশ্বকাপ
১৯৯৮ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ব্রাজিল রানার-আপ হয়। সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ ছিল যেখানে রোনালদো আর ক্লুভার্ট গোল করেন। কিন্তু ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হার। জিনেদিন জিদানের দুইটি হেডার গোল ব্রাজিলের স্বপ্ন ভেঙে দেয়। ফাইনালের আগে রোনালদো স্নায়ুরোগে ভুগছিলেন, যা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। অনেকেই মনে করেছিলেন রোনালদোকে দলে না রাখলেই ভালো হতো। সত্যি বলতে, রোনালদোর মতো খেলোয়াড়কে কেন প্রথম লাইন-আপে রাখা হয়েছিল, সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
২০০২ বিশ্বকাপ
২০০২ বিশ্বকাপটা ব্রাজিলের জন্য ছিল চমকের মতো। বাছাইপর্বে তাদের অবস্থা খুব ভালো ছিল না। শেষ পাঁচটা ম্যাচ হাতে রেখে ব্রাজিল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা নিয়েই সংশয়ে ছিল। লুইজ ফেলিপে স্কলারি কোচের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম ম্যাচেই উরুগুয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরে সঙ্কট আরও বাড়িয়ে দেন। কিন্তু তিনি জনমত উপেক্ষা করে কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোমারিওকে দলে নেননি। এমনকি রোমারিও কেঁদে আবেদন করেও কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল যোগ্যতা অর্জন করে। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে সবাই ব্রাজিলকে দুর্বল ভাবতো। কিন্তু রোনালদোর জোড়া গোলে ফাইনালে জার্মানিকে হারিয়ে তারা পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতে নেয়। এই সাফল্য যেন প্রমাণ করে যে, ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল কখনো শেষ নয়।
২০০৬ বিশ্বকাপ পরবর্তী যুগ
২০০৯ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ
২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে ব্রাজিল দারুণ এক ম্যাচ জিতে। শুরুটা ভালো না হলেও, শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতে তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে। বিশেষ করে ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে ৩-২ গোলে জিতে। এই ম্যাচের শেষ মিনিটে লুসিওর গোলটা যেন স্বপ্নের মতো।
২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ
২০১০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিল জি গ্রুপে খেলে, যাকে অনেকে “গ্রুপ অফ ডেথ” বলেছিল। গ্রুপে উত্তর কোরিয়া, কোত দিভোয়ার আর পর্তুগালের মতো দল ছিল। ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত গিয়ে থামে, কিন্তু সেটা তাদের তেমন বড় ব্যর্থতা ছিল না।
পোশাক
প্রথম পোশাক
ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি আর সবুজ শর্টস – এই পোশাকটা ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে পরিচিত চিহ্নগুলোর একটি। শুরুতে ব্রাজিলের জার্সি ছিল সাদা, কিন্তু ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপের আগে থেকে হলুদ রঙ ব্যবহার শুরু হয়। যুক্তি ছিল, সাদা জার্সিতে রক্তের দাগ সহজে বোঝা যায় আর প্রতিপক্ষের মনোবল ভাঙতে উজ্জ্বল রঙ ভালো। আর বর্তমানে, এই প্রথম পোশাকটি ব্রাজিলের সম্মানের প্রতীক।
দ্বিতীয় পোশাক
দ্বিতীয় পোশাক হিসেবে ব্রাজিল নীল জার্সি ব্যবহার করে। নীল রঙটা যেন ব্রাজিলের আকাশ আর সমুদ্রের কথা মনে করিয়ে দেয়। অনেক সময় দেখবেন, ব্রাজিল এই নীল জার্সিতে খুব ভালো খেলে। বিশেষ করে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে তারা এই নীল জার্সিই পড়েছিল, যেটা তাদের জন্য সৌভাগ্য নিয়ে এসেছিল।
খেলোয়াড়
বর্তমান দল
বর্তমানে ব্রাজিল দলে রয়েছেন বিশ্বের সেরা কিছু ফুটবলার। নিচের টেবিলে ২০২১ সালের কোপা আমেরিকার জন্য ঘোষিত দলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের নাম দেওয়া আছে।
| অবস্থান | নাম | জন্ম তারিখ | ক্লাব |
|---|---|---|---|
| গোলরক্ষক | আলিসন | ২ অক্টোবর ১৯৯২ | লিভারপুল |
| গোলরক্ষক | এদেরসন | ১৭ আগস্ট ১৯৯৩ | ম্যানচেস্টার সিটি |
| রক্ষণভাগ | থিয়াগো সিলভা | ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৪ | চেলসি |
| রক্ষণভাগ | মার্কিনিয়োস | ১৪ মে ১৯৯৪ | পারি সাঁ-জার্মা |
| মধ্যমাঠ | কাজিমিরো (অধিনায়ক) | ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ | রিয়াল মাদ্রিদ |
| মধ্যমাঠ | লুকাস পাকেতা | ২৭ আগস্ট ১৯৯৭ | লিওঁ |
| আক্রমণভাগ | নেইমার | ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ | সান্তোস |
| আক্রমণভাগ | ভিনিসিউস জুনিয়র | ১২ জুলাই ২০০০ | রিয়াল মাদ্রিদ |
সাম্প্রতিক অন্তর্ভুক্তি
গত কয়েক বছরে ব্রাজিল দলে নতুন খেলোয়াড় যুক্ত হয়েছে। যেমন, দানি আলভেস, ফিলিপে কৌতিনিউ, আর রদ্রিগোর মতো খেলোয়াড়রা দলের হয়ে খেলেছেন। কিন্তু এই তালিকা সব সময় উন্মুক্ত থাকে, কারণ ব্রাজিলের খেলোয়াড় তৈরির কারখানাটা চলমান।
র্যাঙ্কিং
ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিল বহুবার শীর্ষস্থানে ছিল। নিচের টেবিলটি দেখে বুঝতে পারবেন বর্তমান অবস্থান:
| ফিফা র্যাঙ্কিং (২১ ডিসেম্বর ২০২৩) | অবস্থান |
|---|---|
| ব্রাজিল | ৫ |
| ইংল্যান্ড | ৩ |
| বেলজিয়াম | ৪ |
প্রতিযোগিতামূলক তথ্য
ফিফা বিশ্বকাপ
ব্রাজিল বিশ্বকাপে সবচেয়ে সফল দল। তারা ২২ বার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে, যা একটি রেকর্ড। আর ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব তাদের। নিচের তালিকা থেকে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের অর্জনগুলো দেখা যাচ্ছে:
- চ্যাম্পিয়ন (৫): ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ২০০২
- রানার-আপ (২): ১৯৫০, ১৯৯৮
- তৃতীয় স্থান (২): ১৯৩৮, ১৯৭৮
অর্জন
শিরোপা
ব্রাজিলের অর্জনের তালিকা অনেক বড়। শুধু বিশ্বকাপ নয়, কোপা আমেরিকাতেও তারা ৯ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফিফা কনফেডারেশন কাপে ৪ বার শিরোপা জিতেছে – ১৯৯৭, ২০০৫, ২০০৯, ২০১৩। আর প্যানআমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপে দুবার জিতেছে।
পুরস্কার
ব্রাজিল ফিফার বর্ষসেরা দলের পুরস্কার ১২ বার জিতেছে, যা যে কোনো দলের চেয়ে বেশি। এটা তাদের শ্রেষ্ঠত্বের আরেকটি প্রমাণ। বিশ্বকাপে ফেয়ার প্লে ট্রফিও ৪ বার জিতেছে তারা, যার মধ্যে ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯৪, ২০০৬ অন্তর্ভুক্ত।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল কয়বার বিশ্বকাপ জিতেছে?
ব্রাজিল মোট ৫ বার ফিফা বিশ্বকাপ জিতেছে – ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে। এই রেকর্ড এখন পর্যন্ত আর কোনো দেশ ভাঙতে পারেনি।
ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় জয় কোনটি?
ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় জয় হলো ব্রাজিল ১০-১ বলিভিয়া (১৯৪৯) এবং ব্রাজিল ৯-০ কলম্বিয়া (১৯৫৭)। এই দুটি ম্যাচে তারা দারুণ গোল শোধন করেছিল।
ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পরাজয় কোনটি?
ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় পরাজয় হলো উরুগুয়ে ৬-০ ব্রাজিল (১৯২০) এবং ব্রাজিল ১-৭ জার্মানি (২০১৪)। পৃথিবীর কাছে লজ্জাজনক সেই ম্যাচে ব্রাজিল ১-৭ গোলে হেরেছিল, যা তাদের ইতিহাসের কালো অধ্যায়।
ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা কে?
ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হচ্ছেন নেইমার। তিনি এখন পর্যন্ত ৭৯টি গোল করেছেন, পেলেকে ছাড়িয়ে এই রেকর্ড গড়েছেন। বর্তমানে তিনি ব্রাজিল দলের সেরা স্ট্রাইকার।
ব্রাজিলের প্রধান কোচ কে?
বর্তমানে ব্রাজিলের প্রধান কোচ হলেন কার্লো আনচেলত্তি (ইতালীয় কোচ)। তবে এই তথ্য সময়ের সাথে পরিবর্তিত হবে, তাই সব সময় হালনাগাদ তথ্যের জন্য ফিফা বা কনফেডারেশনের ওয়েবসাইট দেখুন।
ব্রাজিল কতবার কোপা আমেরিকা জিতেছে?
ব্রাজিল কোপা আমেরিকা জিতেছে ৯ বার – ১৯১৯, ১৯২২, ১৯৪৯, ১৯৮৯, ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৪, ২০০৭ ও ২০১৯ সালে। দক্ষিণ আমেরিকায় তারা দ্বিতীয় সফল দল, আর্জেন্টিনার পরেই তাদের অবস্থান।
ব্রাজিল দলের ডাকনাম কী?
ব্রাজিল দলের বেশ কয়েকটি ডাকনাম আছে – ‘সেলেসাও’ (জাতীয় দল), ‘কানারিনিয়ো’ (ছোট ক্যানারি), ‘ভের্দে-আমারেলা’ (সবুজ-হলুদ) এবং ‘এস্কুয়াদ্রাও দে ঔরো’ (সোনালী দল)। এই ডাকনামগুলো তাদের জার্সির রঙ আর গৌরবময় ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়।